Sunday, January 03, 2016

How to Rescue Bengali?


I try my hand on occasion to write in my mother tongue. It is becoming an increasingly tedious exercise. And the lack of a readily available tool for spell check is the least of my problems!

So what is it? Just the lack of practice? No, not at all. My blog will testify to my persistence over the years to keep writing in Bengali. I certainly speak the language at home. And will even admit to feeling a wee bit uncomfortable when forced to keep up in English for really long.

The truth is, we dont really use pure Bengali anymore! Most of our talking in the language is interspersed with English words. I struggle to find Bengali words for commonly used English ones.

My hunch is that, the western sensibilities to which we are all becoming more and more accustomed, require an evolution of our vocabulary to include words that we just did not need before! For example, I wanted to say, a person is very predictable, or he is very image conscious, or, I'd like some privacy. Check out the google translator. The corresponding Bengali words were archaic, outdated, and often missing the point! We dont have words for these concepts in Bengali, but these are very much a reality of our 21st century lives.

So I worry. How is a people defined, if not by their language? Language is the true soul of a culture. How else do you capture the diversity and expanses of a people's thoughts and emotions!

Saturday, January 02, 2016

Sukumar Ray as a writer of dark comedy

সুকুমার রায়ের লেখা পড়েনি এমন বাঙালী বিরল! বিশেষ করে পুজোর সময়ে, প্রতিটি পাড়ার সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে, কোনো না কোনো ছোটো বাচ্ছা "বাবুরাম শাপু" আবৃত্তি করেই থাকে! এটা বোধায়ে আজকাল একটা ট্রাডিশনের পর্যায়ে পড়ে। হঠাত আমার মনে হল কান্ডটি কিন্তু নেহাত বেমানান!  

ভেবে দেখুন: "সেই শাপ" কে "তেড়ে মেরে" ঠান্ডা করাটা কি ভালো কাজ? ওরকম কূট বুদ্ধি কটা ছোটো ছেলে ভেবে বার করবে? বেশ একটা ব্যঙ্গের আভাস পাওয়া যায়েনা কি এই কবিতার মধ্যে? পরিষ্কার এটা সেই সব অকর্মন্য বড়দের কবিতা, যারা কিনা দুর্বলের দুর্বলতার সুযোগ হামেশাই নিয়ে থাকে! 

আরো আছে.. "গোঁফ চুরি" র কথা ভাবুন। ডিলবার্টের কমিক্স যারা পড়ে থাকেন, তারা সেই গল্পে হেড অফিসের বড়বাবুকে কখনো দেখতে পান কি? গোঁফ জোড়া অক্ষত থাকা সত্তেও গোঁফের অভাব ভদ্রলোককে পাগল করে ফেলেছে! এ দুঃক্ষ তো বালসুলভ নয়! আমাদের মধ্যে আমরা যা দেখতে পাই, অনেক সময়ই অন্যে তা দেখতে পায় না! আবার অন্যে যা দেখতে পায়ে, আমরা তা নাও দেখতে পেতে পারি! এই দুই ভাবমূর্তিকে মিলিত করার চেষ্টা নেহাতই পরিনত মস্তিস্কের যুদ্ধ! ছোটো বয়েসে এরকম চিন্তা আমার কাছে অবিশ্বাস্য।

হ জ ব র ল র কথা ভাবা যাক। "পণ্ডিত কাক, বি-এ পাশ ছাগল, উকিল কুমির, আর হাকিম হুতোম প্যাঁচা"। এই সংযোগ আন্তাব্রি হতে পারে কখনো? গোবেচারা বি-এ পাশ সরল, শান্ত ছাগলের মতন| ধূর্ত উকিল কুটিলচিন্তাশীল কুমিরের মতন। আমার কাছে মনে হয়েছে লেখক তার একরকম মানসিক বিতৃষ্ণা এখানে প্রকাশ করে ফেলেছেন। তার কাছে বোধায়ে মানুষের মধ্যে বৈচিত্রের একটু অভাব চোখে পড়েছে| এই যে স্বপ্নে কঠিন দুর্বোধ্য অঙ্ক কষে যাচ্ছে সকলে। আর তার থেকে বেরোচ্ছে অদ্ভত নির্দেশ! মানুষের অন্ধভাবে কিছু একটা মেনে চলাকে অবজ্ঞা করছেন কি সুকুমার?

অবাক লাগছে! এই মর্মে সুকুমার রায়ের সৃষ্টির আলোচনা কোথাও দেখতে পেলাম না ইন্টারনেট ঘেঁটে! অথচ একটু মনোযোগ খরচ করলেই, মানুষের মনের অন্ধকার দিকের কথা, তার নীরব সংগ্রামের কথা, তার  দুর্বলতার কথা, অনেক লেখাতেই স্পষ্ট পাওয়া যাচ্ছে! 

Friday, January 01, 2016

বাঙালি হিয়ার অমিয় মথিয়া


যত্ন করে বেছে দিতে ইলিশ মাছের কাঁটা
মুড়ি ঘণ্টে পড়ে যেন পাকা রুই-এর মাথা
চিংড়ি মাছের মালাই যখন পড়ত আমার পাতে,
এক দুটো মাছ রসিয়ে খাব, কাটত বেলা তাতে!
শুক্ত, চাটনি, চচ্চড়ির স্বাদে মাখা জীবন
পোস্তে, সর্ষে, পায়েস পুলিতে তৃপ্ত বাঙালি মন!

চায়ের গন্ধে সকাল হত, তেল গামছায়ে চান
কাজ বলতে রোদ মেখে চারাগাছে জলদান।
গোলাপের আদফোঁটা কুঁড়ি আদর চোখে দেখা
ছুটি কেটে যেত গল্পে লেখায়ে, আরামের বসে থাকা।
প্রিয় চাদর গায়ে জড়িয়ে চায়ের কাপ-এ চুমুখ
তর্কে, গল্পে, গানের আসরে অকৃত্তিম সুখ!

বৃষ্টির রাতে ঝুম ঝুম আর ব্যাঙের ঘত্ঘতানি
কালবোশেখীর তান্ডব শেষে খিচুড়ির বাটি টানি।
ভিড় বাস-এ ট্রাম-এ সিট পেয়ে খুসি, স্ট্যান্ড-এর শেষ রিকশা
নাইট শো তে দেখা হিন্দি ছবির নিদারুন সব কিসসা!
তেরো পার্বনে পুজোর বাদ্যি, মিষ্টি লৌকিকতা,
বাঙালিত্বের পরিভাষা যেন এসব অভিজ্ঞতা!

Followers