Saturday, October 20, 2012

বে পথে

জলের পরে খেলা করে হাওয়ার সুর তান,
আকাশ আলোর রুপোলি তে নানান পাখির স্নান !
ওদের পাশেই রাস্তা ধরে সাইকেল এ তে আমি,
কখনো মন ডিঙে চরে ওদের পিছু গামী..
রোজের যাতায়াতে আমার একাকিত্ব কোথায়ে!
সময় কাটে চারদিকের রঙ্গীন সঙ্গতায়ে |
বে পথে পাখির পরেই বেড়াল সংগঠন |
মৌরি ঝারে, পাথর পারে, যখন তখন !
আরো দেখেছি হঠাত হঠাত সাঁপ, খরগোশ,
অনাচ কানাচ প্রানের জোয়ার, নেই কোনো গোরমোষ |
এছাড়া আছেই সাস্থান্বেশী বাবু মেমের দল...
আইপড,হেলমেট,কুকুর,বোতল,বিবিধ সম্বল!
রোজ এটুকু ছুটির স্বাদে ফুরফুরে মোর মন,
চালিয়ে যাচ্ছি দুজনে বাঁচার কথোপকথন |

দুঃস্বপ্ন

খুব ভোরে ঘুম ভেঙে গেছে.
পুরোটা ঘুম মুছে যায়েনি তখনও চোখ থেকে
চাদরটা সরে গেছে, শীত শীত করছে..
কাল রাতে জানলা খুলে শুয়েছিলাম?
তোমার গরম শরীরটা ছুঁতে চাইলাম
হাথরে দেখি বিছানায়ে কেউ নেই!

ওকি! বাদুরের মতন ঝুলছে ঘরের কোনে?
ওটার দাঁত গুলোতে রক্ত মাখা!
কি বিভত্স! কাঠ হয়ে পরে রইলাম.
হাথ পা কিছুতেই নাড়াতে পারছি না.
বুক ধরফর করছে খুব জোরে.
আমাকে কি বেঁধে ফেলা হয়েছে নাকি?

চ্যাট চ্যাট করেছে কিসে? রক্ত? আমার রক্ত?
আমি কি মরে যাচ্ছি?
আমি কি ফুরিয়ে যাচ্ছি?
আমাকে তুমি বাঁচাবে না?
তুমি কি নেই? তুমি কোথায়ে?
ওই বাদুর টাকে তাড়াও!

যাঃ! দুঃস্বপ্ন টা ভেঙে গেল!
কালো কোট লাল টাই ঝুলছে দরজার ওপর!
উফ! কল্পনাশক্তিটা কাজের কাজে লাগলনা কোনদিন!
একটা অদ্ভুত কথা মনে হল...
ত্রিশঙ্কু ঝুলছি তোমাতে আমাতে,
আর ফুরিয়ে যাচ্ছি রোজ!


তুঘলক

বকছি আমি আবলতাবল বলার খেই হারাই,
বকছ তুমি অন্য সুরে সত্যি মিথ্যা নাই |
মাঝে মাঝে মনটা মেলে কোনো এক খানে,
কিন্তু জেনো ওইটুকু ভাই সমাপতনে..
আমার মতন আর কেও নাই, এইটে সত্যি বাক;
আমি আমার নিজের মতন স্বাধের তুঘলক |
কিন্তু ভায়া একটা ব্যাপার বড্ড কষ্ট দেয়,
এক পা এক পা করে আমার সময় বয়ে যায়ে ..
শরীর থেকে যৌবন আর মনের থেকে যোশ ,
পালাবেই আমায়ে ফেলে, এই নিয়ে আপসোস ..
শুন্য মন কেমন ফেলে দীর্ঘ নিশ্বাস ..
কি যে মানে জীবনটার! হারাই বিশ্বাস ..
বিষন্ন এই মনের কোনে আর সবাই বেমানান,
এখানে থাক, আমি, আর আমার আবলতাবল গান !
লেখা চেপে দেব, না ছেপে দেব, বেজায়ে সমশ্যায়ে..
কানে কারো পৌছল কি, কিই বা আসে যায়ে!

Followers